Sandakphu Phalut Trek

Sandakphu Phalut Trek or Singalila Ridge Trek is one of the best treks that offer breathtaking mountain views. It is the only trek in India where one can see Mt. Everest (Tallest), Kanchenjunga (Third), Lhotse (Fourth) and Makalu (5th) together in a single frame. Spring months are great for trekking as days are longer with beautiful rhododendrons along the trail and warmer nights. However you have to be lucky to get views as clear as winter months.

Sandakphu is the highest point of West Bengal and is at 3636 m above sea level. I did this trek in 5 days between Manebhanjyang – Tonglu – Sandakphu – Phalut – Samanden – Srikhola from May 1 -5, 2017.

Live through our trek story below and more useful information and how to do this trek and other useful information.

Sandakphu Phalut Trek


Day 1 | Manebhanjyang – Tonglu (9 kms 4 hrs)

The Darjeeling Mail arrived 1 ½ hr late at New Jalpaiguri Station at 9:30 AM. I took a shared auto to Tenjing Norgey Bus Stand from where it is possible to get shared taxi to hills. The shared taxi does not goes directly to Manebhanjyang. Hence i took a taxi to Darjeeling and got down at Ghoom. From Ghoom i took another taxi to Sukhiapokhari and then changed for the final time to Manebhanjyang. I reached Manebhanjyang at 2:00 PM. While the heat was killing in the plains, the mountains are cool and misty.

Being late, i was unable to get a guide from the office of the Singalila National Park. You have to be present before 2 PM to get a guide and start the trek. However i was in no mood to stay at Manebhanjyang. I met Mr. Bisht from Uttarakhand also looking for a guide. We started the trek together without a guide, with an assurance from the office that the guide will meet us tomorrow morning at Tonglu.

The trek finally started at 2:30 P.M. with drizzling rain accompanying us. The initial stage from Manebhanjyang (2130 m) to Chitrey (2480 m) is steep and short. The rain started pouring and it became difficult for us at the very onset of the trek. After an hour we reached Chitrey and took shelter in a teahouse. A hot cup of tea and noodle soup was very much needed. At around 4 PM the weather cleared and the sun appeared again. We started again towards Tonglu. At 4:45 PM we reached a small hamlet in Nepal, Lamaydhura. We did not stop and continued further towards Meghma (2900 m) and Tonglu (3100 m).

We reached Tonglu at 6 PM and found that no bed is available in the trekkers hut. There is a district magistrate hut near the trekkers hut and i got a room there at Rs 450. The day was too long and after a nice hot dinner ( Bhat, Dal, Vegetable and Egg Curry) i ended flat in bed. Tomorrow hoping a clear nice sky and a brilliant sunrise over sleeping Buddha.

অনেক দিন ভাবছিলাম যে সান্দাকফু যাবো | কিনতু দিল্লি থেকে দূরত্ব টা অনেকটাই | হটাৎ করে দুর্গাপুর আসা হলো ঘর এ কিছু কাজ এ| এই সুযোগ তা আর ছাড়তে পারলাম না | বাড়ির কাজ শেষ হতে না হতেই, ট্রেন এর টিকেট কেটে ফেললাম| আজ কাল যা দাম হয়েছে টিকেট এর – না বলাই ভালো | দার্জিলিং মেইল এর টিকেট নিলো ২৫০০ টাকা |

যাই হোক, সন্ধে বেলা তে চা খেয়ে রেডি | হটাৎ প্রচন্ড বৃষ্টি চালু হয়ে গেলো | মনে হচ্ছে যেন সব ভেসে যাবে | কথা ছিল বাবু গাড়ি করে আমাকে বর্ধমান এ নামবে আর এখন থেকে ট্রেন ধরবো | ৮ তা নাগাদ একটু বৃষ্টি কমলেও পুরো পুরি থামতে প্রায় ৯ তা বাজলো | টাইম এ পৌঁছে গেলাম বর্ধমান কারণ এখন পানাগড় এর এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে গেছে | ট্রেন প্রায় টাইম এই ছিল |

পরের দিন সকাল ৯:৩০ এ নামলম্ নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এ | ট্রেন পৌঁছেছে পাক্কা ১:৩০ ঘন্টা লেট্ | বাইরে ভালো আবহাওয়া | গরম নেই খুব একটা | একটা শেয়ার অটো নিয়ে চলে গেলাম তেনজিং নোরগে বাস স্ট্যান্ড এ | জানতাম যে এখন থেকেই শেয়ার জীপ্ পাওয়া যাই | একটা জীপ্ পেলাম, যেটা পুরোটাই এক বাংলাদেশী ফ্যামিলি বুক করেছে | পেছনে একটা সিট পেয়ে বসে গেলাম | সোজা নামলাম ঘুম স্টেশন এ | ঘুম থেকে কিছুক্ষন এর মধ্যে একটা সুকিয়াপোখরি যাওয়ার ট্যাক্সি পেলাম | তারপর শেষ ট্যাক্সি নিলাম এখন থেকে মানেভঞ্জন | পাহাড়ে পুরো মেঘ আর মাঝে মাজে বৃষ্টি হচ্ছে | ঠান্ডা লাগছে ভালোই | মানেভঞ্জন পৌছালাম দুপুর ২ ট তে |

প্রায় ১ ঘন্টা লেট্ হওয়া তে কোনো গাইড পেলাম না অফিস থেকে| আমার মোটেও ইচ্ছা নেই মানেভঞ্জন এ রাত কাটানোর | এখানে অফিস এ দেখা হলো আরেকজন টেক্কার Mr Bisht এর সাথে | তিনিও একা এসেছেন নিজের mountaineering কোর্স শেষ করে | অফিস থেকে কন্ফার্ম করলাম যে গাইড আমাদের সাথে কাল সকালে দেখা করবে| আর আমরা আজ টংলু চলে যাবো নিজের থেকে |

দুপুর ২:৩০ এ ট্রেক চালু করলাম | বৃষ্টি হচ্ছে ঝিরি ঝিরি | প্রথম দিকটা প্রায় খাড়া চড়াই| মানেভঞ্জন ( ২১৩০ মম ) থেকে চিত্রের (২৪৮০ ম ) হাঁটাপথ তৎ বেশি নোই| কিনতু বৃষ্টি হটাৎ বেড়ে যাওয়ার ফলে বেশ মুশকিল হচ্ছিলো | প্রায় এক ঘন্টা পরে আমরা পৌছালাম চিত্রে তে | একটা teahouse এ কিছুক্ষন বসে আগুন পোহালাম আর গরম চা আর ম্যাগিই খেলাম | বিকেল ৪ তে নাগার আবার সূর্য উঠলো | খুব সুন্দর লাগছিলো চারিদিক | আবার হাত শুরু করলাম | পৌনে ঘন্টা চলার পর আমরা লামেধুরা বলে একটা নেপালি গ্রাম এ পৌছালাম | না থেমে আমরা এগিয়ে চললাম | আস্তে আস্তে মেঘমা (২৯০০ ম) পেরিয়ে শেষ এ পৌছালাম টংলু (৩১০০ ম ). তখন প্রায় সূর্য দুই গেছে কিনতু আলো আছে হালকা| ৬ তা বাজে ঘড়িতে | ট্রেকের হুট্ এ কোনো বেড নেই দেখে খারাপ লাগলো. হাত তা কিনতু খুবই সুন্দর | যাই হোক, ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট বাংলো তে রুম পেয়ে গেলাম আরে সাথে দল, ভাত আর ডিম্ এর ঝোল| সব মিলিয়ে ৪৫০ টাকা |

গতকাল রাট থেকে যে যাত্রা শুরু হয়েছে, তা অবশেষে শেষ হলো | খাবার খেয়ে সোজা সূএ পড়লাম, এই ভাবতে ভাবতে যে সকালে সব পরিষ্কার হবে আর সুন্দর একটা সূর্যোদয় দেখবো কাঞ্চনদজঙ্গা তে |

View from Chitrey

Chitrey after the rain stopped

Trail just after Chitrey

 


Day 2 | Tonglu – Sandakphu (19 kms 6 hrs)

I had set alarm at 4:30 AM. After seeing light outside and clear sky, i woke up Mr. Sandeep who was in the next room. The outside was cold and the wind was making it difficult to stand. The views of Mt. Kanchenjunga was breathtaking. I took refuge behind a concrete rain shelter and gazed in awe in the brilliant views and sunrise unfolding in front of me.

I again started walking at 7:30 AM after breakfast and then crossed Tumling (2895 m) to reach the checkpost at 8:00 AM. Without guide i was not allowed to go further. The officer tried to contact the office at Manebhanjyang but the phone network is poor here. Then all of a sudden our Guide Mr. Yogen Tamang appeared out of nowhere in the trail. He started from Manebhanjyang in the wee hours of morning and reached here with a ride in the jeep.

Now we three started and took the higher jungle trail leaving the dart road behind us. We crossed over dense forest of rhododendrons with views of Kanchenjunga in the front. The short route took us over the village of Jaubari (2900 m) in nepal in half hour (9 AM) to the army post of Gairibas ( 2525 m ) seated in the bowl between the peaks of Tonglu and Sandakphu. We reached Gairibas at 9:45 AM and the route from Tonglu to Gairibas is all downhill. I decided to have tea here before moving ahead.

From Gairibas to Kalipokhare ( 3100 m) is all climb through steep steps and in between smooth dart roads and jungle trails. The views have vanished in this part of the trek and weather is again cloudy and misty. It was 1 PM when we reached Kalipokhare and had lunch. There is phone available here although a nepal number. A call to India will be a international and costs Rs 20 per minute. After hot lunch ( Dal, Bhat, Vegetable and Omlette) we again started the climb further to Sandakphu.

From here to Bhikay Bhanajnag (3200 m ) is a level walk for an hour through rhododendron trails. I stopped there for a tea again and then the final steep or i should say very steep climb to Sandakphu (3636 m). After a draining climb finally at 3 PM i reached Sandakphu. Mr. Bisht is super fast and has reached Sandakphu at 2 PM. This being peak travel season, there are no rooms in the trekker hut as usual. We got a room for Rs 900 for 3 beds in a homestay in nepal side.

The weather never cleared till night and pretty much at 4 PM i went to sleep to be woken up again at 7 PM for dinner. I was too tired to get out of the warm bed, and hence ordered only bread butter and a glass of hot milk.

আমি সকাল ৪:৩০ এর অ্যালার্ম দিয়ে রেখেছিলাম | কিনতু এল হতেই ঘুম ভেঙে যাই | গত রাত্রে Mr সন্দ্বীপ এর সাথে পরিচয় হয়েছিল | তাকেও উঠিয়ে দিলাম| বাইরে কনকনে ঠান্ডা আর হাওয়া দিচ্ছে ভালোই | সূর্যোদয় এখনো হয়নি কিনতু আকাশ পরিষ্কার আর সামনে স্লিপিং বুদ্ধ ভালো দেখা যাচ্ছে | কালকের সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেলো এই দৃশ্য দেখে | ধীরে ধীরে সূর্য উঠলো আর পাহাড়ের গায়ে যে রং এর খেলা দেখলাম, তা আর বলে বোঝানো যাবে না | মন জুড়িয়ে গেলো |

জলখাবার খেয়ে নিয়ে, ৭:৩০ নাগার বেরিয়ে পড়লাম | Mr সন্দ্বীপ আজ কলকাতা ফায়ার যাবেন, এক দিনের জন্য টংলু এসেছিলেন | আমাকে আজ যেতে হবে সান্দাকফু| বহু লম্বা যাত্রা পথ | তুমলিং (২৮৯৫ ম ) পেরিয়ে ৮:০০ তা তে পৌছালাম চেক পোস্ট | এখানে আরে আগে যেতে দিলো না | সিকিউরিটি বললো বিনা গাইড এ আগে যাওয়া যাবে না | নিচে অফিস এ কল করার চেষ্টা করে গেলাম | নেটোয়ার্ক খুব খারাপ এখানে | হটাৎ দেখলাম যোগেন তামাং এসে পৌঁছেছে | ও হচ্ছে আমাদের গাইড, সকাল ৫ তা তে রওনা হয়েছে নিচে থেকে | যাই হোক, আবার আমরা চলা শুরু করলাম |

এবারে একটা জঙ্গল এর শর্ট কাটো নিলাম যা অপূর্ব সুন্দর রডোডেনড্রন এর মধ্যে দিয়ে আর মাঝে মাঝে উঁকি দিচ্ছে কাঞ্চনদজঙ্গা | ৩০ মিনিটের মধ্যে জৌবারি ( ২৯০০ ম) নেপাল ক্রস করে গাইরিবাস (২৫২৫ ম ) এর পৌছালাম | প্রায় অনেকটা নিচে নেমে এসেছি | জায়গাটা সান্দাকফু আর টংলু মধ্যে , এক প্রকার নিচে অবস্থিত | এখানে রেস্ট নিলাম আর চা আর মোমও খেলাম | অনেক টুরিস্ট ল্যান্ড রোভার এর করে সান্দাকফু যাচ্ছে দেখলাম|

গাইরিবাস থেকে কালিপোখরি ( ৩১০০ ম ) হচ্ছে পুর উপরে চড়াই আর মাঝে মাঝে কিছু জঙ্গল আর কাঁচা রাস্তা | আকাশ মেঘলা হয়ে যাওয়ার ফলে, পাহাড় আর দেখা যাচ্ছে না | কিনতু রোদ্দুর না থাকা তে কষ্ট হচ্ছে না| দুপুর ১ তা নাগার পৌছালাম কালিপোখরে| এখানে একটা সুন্দর হ্রদ আছে| পশে তিব্বতী চোর্তেন আছে | একদিকে নেপাল আর একদিকে ভারত| লাঞ্চ করলাম এখানে আর ১ ঘন্টা জিরিয়ে নিলাম | একটা ফোন পাওয়াতে ঘর এ ফোন করে নিলাম|

ভিকেই ভাঞ্জান ( ৩২০০ ম ) পরে সান্দাকফু আর কালপোখরের মাঝখানে| হাঁটাপথ প্রায় সমতল| চারিদিকে সুন্দর রডোডেনড্রন এর জঙ্গল| ১ ঘন্টা পরে এখানে পৌঁছে, চাল খেলাম| এখন থেকে সান্দাকফু দেখা যাই, কিনতু নেতা ওপরে| শেষ যাত্রা তা প্রচন্ড কঠিন | চড়াই শেষ হতে চাই না| সান্দাকফু ( ৩৬৩৬ ম ) প্রায় ২ ঘন্টা পরে পৌছালাম| শরীর আরে সাথে দিচ্ছে না| একটা রুম পেলাম ৯০০ টাকা তে যাতে ৩ তে বেড আছে| ভালোই হলো| সোজা রুম এ গিয়ে শুয়ে পড়লাম| মেঘলা হওয়ার ফলে সূর্যাস্ত দেখার ইচ্ছে আর নেই| বিকেল ৪ তে নাগাদ ঘুমিয়ে পড়লাম ক্লান্তির জন্য|

রাত ৭ তা নাগাদ উঠে, ৪ তে পাউরুটি আরে এক গ্লাস গরম দুধ খেয়ে নিলাম| বাইরে পুরো মেঘলা আর তাই কম্বল এর বাইরে আরে না বেরিয়ে শুয়ে পড়াটাই ভালো মনে করলাম |

Tonglu Sunrise

Tonglu Sunrise

Tonglu Sunrise
First light on Sleeping Buddha.
Tonglu Sunrise
Sunrise over Kanchenjunga.
Tonglu Sunrise
View of Sleeping Buddha from Tonglu.
Tonglu Sunrise
Looking east and down towards Dhotrey.
Tonglu Sunrise
Sleeping Buddha !
Dhotrey to Tonglu Trail
Dhotrey to Tonglu Trail.
Tonglu Trekkers Hut
Tonglu trekkers hut at sunrise.
View from Tonglu
Hikers looking at Sleeping Buddha.
View from Tumling
Kanchenjunga
Trail after Tumling Checkpost
Trail after Tumling Checkpost
From Tumling
View from Tumling
Sandakphu from Tumling
Sandakphu as seen from Tumling.
Down towards Jaubari
Down towards Gairibas
hiking down towards Jaubari
Down towards Gairibas and Nepal on left side.
Rhododendron
Rhododendrons
rhododendron
Rhododendrons
rhododendron
Rhododendrons
rhododendron
Rhododendrons
Kalipokhare
Kalipokhare
Kalipokhare Chorten
Kalipokhare Chorten
at Bikheybhanjang
A house at Bikheybhanjang. Thats Yak sausage hanging on the roof.

Day 3 | Sandakphu – Phalut (16 kms 5 hrs)

I woke up at 4 AM but the weather was still bad as it is possible to see Kanchenjunga from the bed itself. At 6:30 AM the weather cleared up suddenly and i rushed to the hill top for the views. The famed views of the 4 of the 5 tallest peaks are right in front of me. Everyone around was ecstatic with joy of the fine views. We could see Phalut (3600 m) our next stop well under the clouds.

By 7 i finished my breakfast and got ready for the trek ahead. Mr. Bisht started today at 5 AM with a plant to reach Phalut-Gorkhey-Srikhola in a day and depart for home tomorrow. So we parted ways while i was still in bed.

The Sandakphu Phalut trail is pretty much level walk with intermittent steep up and down trails. After 1 ½ kms walk we reached a small village ( few homes) Aal. The views of the peaks have already disappeared in the clouds. The trail till Phalut does not have any shelter from the elements except for Sabagram (3530 m) which is 4 hours away. The rain here can become a deadly hail storm and there has been unfortunate fatality in the past. But luckily it did not rain but the weather remained windly and cold . After moving through the initial rhododendron forests, the trail passes through alpine meadows for an hour or so and then enters a jungle trail. The last trail is steep and ends again at Sabagram which is a meadow. It took us 4 hours to reach Sabagram where we had lunch.

From here its 2 hours walk though rhododendron forests and views ( on a lucky clear day ) to Phalut. The end of the trail is steep and climbs for a couple to kms to the trekkers hut at Phalut. When we reached Phalut, the visibility due to fog was down to few feet. Yogen got me a bed in a room booked by a different group.

We were first to arrive at the hut, with groups started arriving. From the hut one has to climb to the top, which takes 30 minutes. But this never happened for us as the weather never cleared and soon after dinner we were asleep.

সকাল ৪ তে তে উঠে দেখলাম এখনো মেঘলা| মনে হলো আর হয়তো কাঞ্চনদজঙ্গা দেখা হবে না | আবার শুয়ে পড়লাম|

৬:৩০ নাগাদ হটাৎ দেখলাম, বাইরের তা সুন্দর পরিষ্কার হয়েছে| সোজা ক্যামেরা নিয়ে বাইরে দৌড়ালাম| সব কিছু পরিস্কার হয়ে গেছে | সামনে এভারেস্ট, মাকালু , কাঞ্চনদজঙ্গা পরিষ্কার| ছবি তুললাম আর দেখলাম আসে পশে সবাই খুব খুশি |

৭তার সময় ব্রেকফাস্ট করে নিলাম | বিস্ট সকাল ৫ তার সময় বেরিয়ে গেছে | তিনি আজ এ ট্রেক শেষ করবেন, ফ্লুট হয়ে নিচে নেমে যাবেন | সান্দাকফু থেকে ফ্লুট ট্রেইল তা প্রায় নেড়া বলা যাই| এই ট্রেইল এ একটা খারাপ যে, শিলা বৃষ্টি হলে লুকানোর জায়গা নেই| তাই সকাল সকাল বেরিয়ে পড়া ভালো, কারণ দুপুরে বৃষ্টি হয় প্রায়| আজ তেমন উপর নিচ নেই| মোটা মোট সোজা রাস্তা| নিচের দিকে পাহাড়ের গায়ে রডোডেনড্রন এর জঙ্গল এ রং এর ছড়া ছড়ি | খুবই সুন্দর লাগছে| প্রায় ৪ ঘন্টা হাঁটার পরে সাবগ্রাম পৌছালাম| এখানে একটা হুট্ আছে| চা আর নুডলস খেয়ে নিলাম এই সুযোগে |

সাবগ্রাম থেকে ফ্লুট ২ ঘন্টা লাগে| একটু চড়াই আছে শেষের দিক তা | কোয়াসা হয়ে ছিল আর দুপুর তা তাই সাবগ্রাম থেকে আস্তে আস্তে পৌঁছে গেলাম |

ট্রেকের হুট্ এ রুম এ একটা বেড পেলাম | আজ আমরাই সবার আগে পৌঁছে চি ফ্লুট এ| ধীরে ধীরে আরো লোক জন এলো| অনেক জন এলো, কথা হলো, কিনতু আকাশ আর পরিষ্কার হলো না| অগত্যা খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লাম|

View from Sandakphu

View from Sandakphu

Kanchenjunga
Kanchenjunga
Everest from Sandakphu
Everest from Sandakphu. Makalu is known as “Throne of Gods” and now you know why.
Rhododendrons
Rhododendrons
Sandakphu to Phalut
Sandakphu to Phalut
Sandakphu Top
Sandakphu Top
meadows
meadows
sandakphu to phalut trail
sandakphu to phalut trail
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
sandakphu phalut trek
meadows
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Rhododendrons

Day 4 | Phalut – Samanden (13 kms 4 hrs)

The scene never changed the next morning. The weather remained dark and cloudy. After breakfast, we started moving down to Gorkhey – Samanden. Today is a easy but steep climb down all the way through rhododendron and bamboo forests. The rhododendron forests are stunning and all colored to the brim.

Enroute in the forest, we found a huge yak and stopped as it was standing right on the trail. After some time it moved into the forest and then we moved ahead. Male Yaks are known to chase down people and the local guides advised to stay away from this kind of male yak. Then while moving down and down, suddenly sound came from the dense bamboo forest and we rushed to find a himalayan black bear down the slopes. We quickly moved away from the spot and moved on.

After 3 ½ hours we finally reached Gorkhey (2390 m )located in the confluence of two rivers. Here one side is in West Bengal while other side is in Sikkim. I took rest for a couple of hours and had lunch. And then i moved on for 15 minutes to the village of Samanden (2500 m) which is just above Gorkhey. This is undoubtedly one of the most scenic village in the himalayas. I got a beautiful hut for Rs 300 and then spent the day at leisure.

In the evening the weather again turned bad and then the deadly hail storm started. It lasted for an hour and if someone is out then i can imagine what can happen. Most of the people stay at Gorkhey which is at the confluence. But if you ask me, Samanden is undoubtedly a located in a awesome setting beneath the hills. Surprisingly i was the only trekker in the village while all other groups were below in Samanden.

সকালে উঠে দেখলাম যে সেই মেঘলা আকাশ | ফালুত টপ এ গিয়ে কোনো কিছুই লাভ নেই | তাই ব্রেকফাস্ট সেরে ফেললাম | ব্রেকফাস্ট করে ব্যাগ প্যাক করে পেমেন্ট করে দিয়ে, হাটা চালু করলাম | আজ পুরো রাস্তা তা নিচে নামার আর পুরোটাই জঙ্গল | বাঁশ আর রডোডেনড্রন এর সুন্দর জঙ্গল এর মধ্যে দিয়ে হাটা পথ তা খুবই মনোরম | রডোডেনড্রন এর রং দারুন মুঘ্ধও করার মতন |

হাঁটাপথে এক জায়গা তে দেখলাম বিশালকায় এক য়াক দাঁড়িয়ে আছে | গাইড বললো এরকম বোরো য়াক কে সবাই ভয় পাই | কিছু ক্ষণ অপেক্ষা করার পর সেটা রাস্তা থেকে সরে গেলো | আমরা সবাই হাটা শুরু করলাম | কিছুক্ষন পরে আবার কিছু আওয়াজ পেলাম | দৌড়ে সাইড এর দিকে গিয়ে দেখি দূরে একটা কালো ভাল্লুক চলে যাচ্চে | আজ ভাগ্য ভালো মনে হচ্ছে |

প্রায় ৩:৩০ ঘন্টা পরে আমরা পৌছালাম গোর্খ্যেয় (২৩৯০ ম )| এখানে দুটি নদী এসে মিলেছে | একদিকে সিকিম আর একদিকে বাংলা | এখানে রেস্ট নিলাম আর লাঞ্চ তা সেরে ফেললাম | জায়গাটা খুবই সুন্দর| বেশিরভাগ লোকজন এখানে আজ ক্যাম্প করছে | কিন্তু ট্রেক চালু করার আগে বন্ধু দিপানিক আমাকে বলেছিলো এখানে না থেকে সমানদেন যেতে | সমানদেন এখন থেকে ১৫ মিন | আর ওখানে গিয়ে দেখলাম সত্য যে জায়গাটা খুব সুন্দর | একটা ঘর পেলাম , যার চারিদিকে শুধু সবুজ আর খালি এবং ফুল এর গাছে ভর্তি | দাম পড়লো ৩০০ টাকা মাত্র |

সন্ধ্যেবেলা তে আবার বৃষ্টি ভালো হলো | এবার তার সাথে শুরু হলো শিলাবৃষ্টি | যা সিল পড়লো, এতে কেউ যদি বাইরে থাকে , সে তাহলে মাথা ফেটে নির্ঘাত মারা যাবে| রাত্রে চিকেন খেলাম আর শুয়ে পড়লাম এই ভাবতে ভাবতে যে ট্রেক তা শেষ হয়ে গেলো |

sandakphu phalut trek
Bamboo Trails
sandakphu phalut trek
Dense Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
IMG_6302
Rhododendron Forest
sandakphu phalut trek
Bamboo forest.
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Phalut
sandakphu phalut trek
Bamboo Forests
sandakphu phalut trek
Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Bamboo Forest
sandakphu phalut trek
Reached Gorkhey
sandakphu phalut trek
Samanden
sandakphu phalut trek
Horse and Rhododendrons
sandakphu phalut trek
Forests at Gorkhey
sandakphu phalut trek
Samanden
sandakphu phalut trek
Homestay
sandakphu phalut trek
Evening at Samanden

 

sandakphu phalut trek
Angella
sandakphu phalut trek
Flowers

Day 5 | Samanden – Srikhola (10 kms 3 hrs)

The final day and an easy day. The weather is finally clear we again started walking. The trail initially climbs down from Samanden though the forest and then gradually climbs up throgh the jungle to the small village of Raman ( 2530 m). I just had tea before i started walking at 7 AM. After 1 hr we reached Raman. The breakfast of fried rice was tasty.

From here one can see Kanchenjunga. The other side of the valley is Sikkim. Also the distant villages and roads are visible from Raman. The phone finally works here. At present in 2017 there is a dart road all the way upto Raman and i saw a jeep standing just couple of minutes from the village. So essentially you can end your trek here. We continued to walk and reached Srikhola at 9:30 AM and the trail is all downhill. Finally the trek has ended. The jeep we saw near Raman will come down and pick us up till Rimbik where we will take another taxi to Darjeeling.

We reached Rimbik at 10:30 AM and then spent 3 hours waiting for the next taxi. We finally started at 1:30 PM and reached Darjeeling at 6 PM. Yogen left us at Manebhanjyang and then it was just waiting to reach back home.

আজ শেষ দিন | খুব এ ছোট রাস্তা আর সোজা | ব্রেকফাস্ট সেরে চান করে নিলাম আজ | তারপর ৭ আর সময় শুরু করলাম হাটা | একঘন্টা হাঁটার পর পৌছালাম রমন| এখন থেকে কাঞ্চনদজঙ্গা দেখা যাই | আর বহুদিন পরে দেখলাম মোবাইল ফোন কাজ করতে শুরু করেছে| রাস্তা প্রায় রোমান অবধি পৌঁছে গেছে| আমরা এবার রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলাম আর ৯:৩০ শ্রীখোলা পৌঁছে গেলাম |

একটা ট্যাক্সি জোগাড় করে আমরা রিম্বিক পৌঁছে গেলাম ১০:৩০ এ | এখানে আমরা লাঞ্চ করে নিলাম| ১:৩০ নাগাদ শেয়ার ট্যাক্সি করে আমরা চললাম দার্জিলিং | শেষে বিকেলে ৬ তা নাগাদ দাৰ্জিলিং পৌঁছে একটা oyo রুম নিলাম মাল রোডে| গরম জল এ স্নান করে বাইরে সুন্দর খাবার খেয়ে শেষ হলো এই যাত্রা |

sandakphu phalut trek

Phalut from Samanden

sandakphu phalut trek
Home for the night
sandakphu phalut trek
Towards Raman
sandakphu phalut trek
This region is a paradise for birdwatching
IMG_1714
Srikhola and the bridge to civilization

Useful Information:

sandakphu phalut trekThis is an easy trek if you do in 7 days from Manebhanjyang – Tonglu – Kalepokhare – Sandakphu – Sabagram – Phalut – Samanden – Srikhola. Doing it in 4 days is also possible but days will be long and the trek will be tough due to long walks. (Caution: Weather can kill particulerly in Sandakphu – Phalut section which does not have any shelter and water source is also not there except Sabagram)

Winter months have snow but best views of mountains. Spring is best for rhododendron and long day and warm weather.

A guide is mandatory in the trail. Reach Manebhanjyang before 2 PM to get a guide and start the trek on same day.

This is a teahouse trek and accommodation available at all location. Expect rush in April – May but even then its is easy to find a place to sleep.

Reaching Manebhanjyang: No direct shared taxi is available from NJP Station or Bagdogra Airport or Siliguri Bus Stop (Tenjing Norgey Bus Stop). Take a auto to Tenjing Norgey Bus Stop from NJP Station or Bagdogra Airport. From here take a shared taxi going to Darjeeling. Get down at Ghoom Station. From here (front of Central Bank of India just opposite to station) get a shared taxi to Sukhiappokhare also called Sukhia. From here take a shared taxi going to Manebhanjyang.

There are ATM at Sukhia and fill up the cash for the trek here.

Leaving Rimbik: The last shared taxi leave at 12:30 PM everyday from Rimbik for Darjeeling. Hence reach accordingly at the end of the trek.

One Comment

  1. Pingback: views-35000-ft – clicknexplore

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *